এক গাড়ি = এক খাতা। FOB, ফ্রেইট, এলসি, কাস্টমস, মেরামত, কাগজ — প্রতিটি টাকা ঐ গাড়ির নামে বসে। আর একসাথে কয়েকটা গাড়ি আনলে চালান/এলসি ধরে ল্যান্ডেড কস্ট বেরিয়ে আসে।
এক চালানে ৫টা গাড়ি — ফ্রেইট আর সিএন্ডএফের টাকা কোন গাড়িতে কত, ভাগ করতে গিয়েই গোলমাল
বিল আসে ইয়েনে বা ডলারে, হিসাব রাখতে হয় টাকায় — রেট মেলাতে গিয়ে ভুল
গাড়ির পেছনে কত টাকা বসল — ডিউটি, ডেন্টিং, নামজারি — সব ছড়িয়ে থাকে
বন্দরে মাল পড়ে আছে, ডেমারেজ বাড়ছে — কেউ মনে করিয়ে দেয় না
বাকিতে গাড়ি কিনেছেন, কাকে কত দেনা রয়ে গেল — খাতায় নেই
বিক্রির পর আসলে লাভ হলো না ক্ষতি, হিসাব মেলে না
কে কে দেখতে এসেছিলেন, কবে ফোন করার কথা — ভুলে যাওয়া হয়
একসাথে কয়েকটা গাড়ি আনলে একটা চালানে রাখুন — এলসি নম্বর, ব্যাংক, সরবরাহকারী, জাহাজ, বিএল, বন্দর ও বিই এক পাতায়। এই চালানে মোট কত বসল আর গাড়িপ্রতি কত — দর ঠিক করার সংখ্যাটা সাথে সাথেই।
FOB ইয়েনে, ফ্রেইট ডলারে — মূল অঙ্ক আর রেট লিখুন, টাকার ঘর নিজে থেকেই ভরে যায়। হিসাব সবসময় টাকাতেই থাকে, আর মূল অঙ্কটা কাগজের সাথে মেলানোর জন্য খাতায় রয়ে যায়।
জাহাজ আসার ৩ দিন আগে আর বন্দরে ৭ দিন পার হলে নিজে থেকেই সতর্কবার্তা — ছাড় না হওয়া প্রতিটা দিন ডেমারেজ, তাই চুপ করে থাকার মানে টাকা গোনা।
প্রতিটি গাড়ির স্টক কোড, ব্র্যান্ড-মডেল-সাল, চেসিস ও ইঞ্জিন নম্বর, রং, মাইলেজ, ছবি ও ফিচার — এক জায়গায়।
অর্ডার → কেনা → পথে → বন্দরে → ছাড়করণ → ইয়ার্ডে → মেরামতে → বিক্রয়যোগ্য → বুকিং → বিক্রি। কোন ধাপে কয়টা গাড়ি, তালিকার উপরেই সংখ্যাসহ — চাপলেই ঐ গাড়িগুলো। অকশনে বিড দেওয়া গাড়ি "অর্ডার" হিসেবে আগেই তুলে রাখুন; কেনা না হওয়া পর্যন্ত স্টকেও গোনা হয় না, বিলেও না।
FOB, অকশন ফি, JEVIC, ফ্রেইট, মেরিন ইন্স্যুরেন্স, এলসি মার্জিন ও কমিশন, CD/SD/VAT/AIT, সিএন্ডএফ ফি, পোর্ট রেন্ট, ডেমারেজ, মেরামত, বিআরটিএ কাগজ — ৬৮টা খাত আগে থেকেই বসানো, নিজের মতো যোগও করা যায়।
ফ্রেইট বা সিএন্ডএফ ফি একবার লিখুন, গাড়িগুলো বেছে দিন — সমান ভাগে বা দামের অনুপাতে টাকাটা ভাগ হয়ে প্রতিটার খাতায় বসে যায়। বিদেশি অঙ্কটাও একই অনুপাতে ভাগ হয়।
বাকিতে কেনা গাড়ির ক্রয়মূল্য আর বাকি রাখা খরচ — দুটোই এক তালিকায়, মানুষ ধরে। টাকা দিলে এক চাপে পরিশোধ বসে যায়, ঠিক শোধের তারিখেই নগদ কমে।
এক গাড়ির পেছনে প্রতিটি খরচ, মোট কত বসল, বিক্রয় কত আর নিট লাভ — এক পাতায়, প্রিন্ট বা শেয়ারযোগ্য। এতদিন যেটা এক্সেলে হাতে বানাতে হতো।
ইনভয়েস, বায়না, ছাড়, এক্সচেঞ্জ, ব্রোকার কমিশন, ফাইন্যান্স — সবসহ। কিস্তিতে বেচলে সূচি বসে, কোনটা দেরি হচ্ছে তা লাল হয়ে ধরা পড়ে।
কে কোথা থেকে এলেন (শোরুম, ফেসবুক, পরিচিত), কোন গাড়ি দেখলেন, কোন ধাপে আছেন — টেস্ট ড্রাইভ, দরদাম, বুকিং। হারালে কেন হারালাম সেটাও লেখা থাকে।
কোন গাড়ি কত দিন ধরে পড়ে আছে আর কত মূলধন আটকে — দাম কমানোর সিদ্ধান্তটা এখান থেকেই আসে।
প্রতিটি গাড়ির জন্য ছবিসহ একটা লিংক — ক্রেতাকে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠিয়ে দিন, অ্যাপ ছাড়াই খুলবে।
বিক্রির সময় ওয়ারেন্টির মাস/কিমি ও ফ্রি সার্ভিস লিখে দিন। ক্রেতা ফিরে এলে গ্যারেজে জব খুললেই সেটা ওয়ারেন্টি সেবা হিসেবে গোনা হয় — মেয়াদ কত বাকি, ফ্রি সার্ভিস কয়টা বাকি, সব নিজে থেকেই মেলে। মেয়াদ শেষের আগে মনে করিয়েও দেয়।
চালান/এলসি, গাড়িভিত্তিক লাভ, ক্রয় তালিকা, খরচ বিশ্লেষণ, ব্র্যান্ড-মডেল ওয়াইজ, মাসের ধারা, বিক্রয়কর্মী, লিড, স্টক, এজিং, বকেয়া, কিস্তি ও পাওনাদার — সবই এক্সপোর্ট, প্রিন্ট ও শেয়ার হয়।
অ্যাপ থেকে নেওয়া আসল স্ক্রিনশট — কোনো মকআপ নয়।
মাউস রাখলে থেমে যাবে · ১৭টি স্ক্রিন
গাড়ির ক্রয়মূল্যের সাথে ঐ গাড়ির নামে বসানো সব খরচ যোগ হয়ে "মোট কত বসল" তৈরি হয়; বিক্রয়মূল্য থেকে সেটা বাদ দিলেই নিট লাভ। কত দিনে বিক্রি হলো তাও সাথে থাকে।
হ্যাঁ, এটাই কন্টেইনারের ফ্রেইট বা সিএন্ডএফ ফির জন্য বানানো। খরচটা একবার লিখে গাড়িগুলো বেছে দিন — সমান ভাগে বা দামের অনুপাতে টাকাটা ভাগ হয়ে প্রতিটার খাতায় বসে যাবে। পরে ভুল হলে এক জায়গা থেকেই সবগুলো একসাথে মুছে ফেলা যায়।
যায়। একটা চালান খুলে গাড়িগুলো তাতে রাখুন — এলসি নম্বর, ব্যাংক, সরবরাহকারী, জাহাজ, বিএল, বন্দর ও বিই এক পাতায় থাকে, আর ঐ চালানে মোট কত বসল ও গাড়িপ্রতি কত তা গাড়ির খাতা থেকেই যোগ হয়ে আসে। চালানের ধাপ (জাহাজে → বন্দরে → ছাড় হয়েছে) বদলালে ঐ চালানের সব গাড়ির অবস্থাও একসাথে বদলায় — ২০টা গাড়ি হাতে বদলাতে হয় না।
খরচ লেখার সময় "বিদেশি মুদ্রায় বিল" চালু করে মুদ্রা, মূল অঙ্ক আর রেট দিন — টাকার ঘরটা পর্দাতেই হিসাব হয়ে বসে যায়, তাই সংরক্ষণের আগেই দেখে নিতে পারেন। হিসাব, খতিয়ান ও লাভ সবসময় টাকাতেই থাকে; মূল অঙ্ক আর রেট খাতায় থেকে যায় কাগজের সাথে মেলানোর জন্য, ফলে পরে রেট বদলালেও পুরনো হিসাব নড়ে না।
ওটাকে "অর্ডার" অবস্থায় তুলে রাখুন। কাগজ-ছবি সব রাখা যাবে, কিন্তু স্টকে গোনা হবে না, খতিয়ানে টাকাও বসবে না, আর মাসিক বিলেও ধরা হবে না। "কিনেছি" চাপলে তবেই সব হিসাব শুরু হয়।
আছে। উৎস "আমদানি" দিলে পথে/বন্দরে/ছাড়করণ ধাপগুলো যোগ হয়, আর কাস্টমস ও বন্দরের আলাদা খাত (CD, SD, VAT, AIT, সিএন্ডএফ ফি, পোর্ট রেন্ট, ডেমারেজ) থাকে। দেশি গাড়ির পর্দায় ঐ ধাপ বা খাতগুলো আসেই না।
থাকে। "বাকিতে কিনলাম" দিলে টাকা কোনো অ্যাকাউন্ট থেকে যায় না, বিক্রেতার কাছে দেনা হিসেবে বসে — আর সেটা "কাকে কত দেনা" পাতায় খরচের বাকির সাথে একসাথে দেখা যায়। পরে টাকা দিলে ঐ গাড়ির পাশে "টাকা দিলাম" চাপুন; শোধের তারিখেই নগদ কমবে, ক্রয়ের পুরনো এন্ট্রিতে হাত পড়বে না।
হ্যাঁ। গাড়ি অন্যের, শুধু কমিশন আপনার — এমন গাড়িকে কনসাইনমেন্ট হিসেবে রাখলে সেটার দাম আপনার আটকে থাকা মূলধনে গোনা হয় না।
গ্যারেজ মডিউল চালু থাকলে জব কার্ডে স্টকের গাড়িটা বেছে নিন — তখন এটা বিক্রি নয়, নিজের খরচ। পুরো টাকাটা ঐ গাড়ির খাতায় গিয়ে তার দামের সাথে যোগ হয়, ভুয়া আয় তৈরি হয় না।
হ্যাঁ। কিস্তির সূচি বসিয়ে দিন — কার কবে কত দেওয়ার কথা, কোনটা আদায় হয়েছে আর কোনটা কত দিন দেরি, সব এক তালিকায় দেখা যায়।
একটি গাড়ির হিসাব চিরকাল ফ্রি। ৫ মিনিটে চালু, কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই।